সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টার ইতিকথা!
প্রাচীন যুগ থেকেই মানুষ নতুন আবিষ্কারের পেছনে দৌড়াচ্ছে। আবিষ্কারের দিক থেকে, সভ্যতার দিক থেকে প্রাচীন মিশর, গ্রিস ছিলো এগিয়ে। বরং মিশরীরাই বেশি এগিয়ে ছিলো। প্রাচীনকালে বর্তমান যুগের মতো সংখ্যার ধারনা ছিলো না। যেমন বর্তমান যুগে সংখ্যা পদ্ধতি রয়েছে- ডেসিমেল (মানুষের বোধগম্য পদ্ধতি), বাইনারি (কম্পিউটারের বোধগম্য), অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল। প্রাচীন মশরীয়রা এইদিক থেকে এগিয়ে ছিলো। তারা গণনার ক্ষেত্রে হায়ারোগ্লিফিক্স, সেক্সাগেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করতো। এখন প্রশ্ন হলো- আমরা যে ৬০ সেকেন্ডে এক মিনিট, ৬০ মিনিটে এক ঘন্টা হিসেব করি। এটা ৬০ ই কেন? ১০০ কিংবা অন্য কিছু হলো না কেন? আসলে, প্রাচীন মিশরীয়রা সেক্সাগেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করতো। যার ভিত্তি ছিলো ৬০। ঠিক তারা এই ৬০ ভিত্তির কারণেই ৬০ সেকেন্ডে এক মিনিট এবং ৬০ মিনিটে এক ঘন্টা হিসেব চালু করে। ভিত্তি বলতে যদি না বুঝেন তবে বলি, ভিত্তি হলো একটা সংখ্যা পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ কয়টা অংক আছে। ওই অংকগুলোর পরিমাণকে ভিত্তি বলে। যেমন আমাদের বর্তমানের কথা বলি। বর্তমানে আমাদের গণনা করার পদ্ধতি হলো ডেসিমেল। এর ভিত্তি দশ। অর্থাৎ এর মধ্যে 0-9 পর্যন্ত ...