নাস্তিক আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ
নাস্তিক আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ বর্তমান নাস্তিকদের বড়সড় একটি চালনা। ওরা বলছে, "দেখো, তোমাদের বড় আলেম-মুফতি-হাফেজ এতো এতো ইসলাম জেনেও আজ নাস্তিক হয়েছে। কারণ, তোমাদের ধর্ম মিথ্যা।" হ্যাঁ, পরিকল্পিত চক্র এমনই হয়।
আসুন, আমার বিষয়টা একটু খোলাসা করি। নাস্তিক আব্দুল্লাহ আল-মাসুদকে আমরা দেখেছি যে তিনি মুফতি থেকে নাস্তিক হয়ে গেছেন। কিন্তু, আমারা কি দেখেছি যে ব্যক্তি আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ থেকে মাসুদ নাস্তিক হয়েছেন? না, সেটা কেবল তার সাথে যারা কাটিয়েছে তারাই দেখেছে। আর সেজন্য আমরা উনার ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারে না জেনে ইসলাম নিয়ে সংশয়ে পড়ার কোনো সুযোগ নেই। মুফতি মাসুদ নাস্তিক হওয়ার অনেক বছর আগ থেকেই নাস্তিক। উনি যেই দশ বছর ইমামতি করেছেন তারও আগ থেকেই নাস্তিকদের বই, হুমায়ূন আহমেদ, আরজ আলী ইত্যাদি ইত্যাদি বই পড়তেন। এমনকি তিনি বলতেনও ওগুলোই উনার কাছে ভালো লাগে।
এখানে বিষয়টা দেখুন, তিনি কিন্তু মুফতি হয়েছেন ইমামতি করেছেন সামাজিক ও উনার পরিবারিক ধারায়। আসলে কিন্তু তিনি মুফতি হয়ে নাস্তিক হননি। তিনি নাস্তিক হয়ে মুফতি হয়েছেন। আসলে, ভাইয়েরা হেদায়েত একমাত্র আল্লাহর হাতে। যিনি আল্লাহকে বিশ্বাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইসলামে থাকছেন, ইসলাম নিয়ে পড়ছেন। তাকেই তো আল্লাহ হেদায়েত দিবেন। কিন্তু, মুফতি আব্দুল্লাহ আল-মাসুদের মতো যার হৃদয়ে আগে থেকেই ব্যাধি রয়েছে। আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনে এই ব্যাধির ব্যাপারে বলেন, في قلوبهم مرض فزادهم الله مرضا তারা কিভাবে হেদায়েত পাবে। মনে প্রাণে তো আর ইসলাম পড়ছে না। কুটিলতায় আগে থেকেই ভরা। এখানে আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ নাস্তিক হয়ে মানবতার কথা বলছেন কিন্তু গত দশ বছরে যে সাধারণ মুসলমানদের ইমামতি করে ধোঁকা দিয়েছেন সেটা কোন মানবতা? হায়রে, ধোঁকাবাজীর নাস্তিকতা ওরপে মুক্তমনা।
Comments