শয়তানের ধোঁকা থেকে বাঁচুন!
আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
ثم لاتينهم من بين ايديهم ومن خلفهم وعن ايمانهم وعن شمائلهم ولا تجد اكثرهم شكرين
অর্থাৎ: অতঃপর আমি অবশ্যই (পথভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্যে) আমি তাদের সম্মুখ দিক দিয়ে, পেছন দিক দিয়ে, বাম দিক দিয়ে এবং ডান দিক দিয়ে তাদের কাছে আসবো। আর আপনি তাদের অধিকাংশকেই কৃতজ্ঞ বান্দারুপে পাবেন না। সুরা ৭ আরাফ ১৭
ثم لاتينهم من بين ايديهم ومن خلفهم وعن ايمانهم وعن شمائلهم ولا تجد اكثرهم شكرين
অর্থাৎ: অতঃপর আমি অবশ্যই (পথভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্যে) আমি তাদের সম্মুখ দিক দিয়ে, পেছন দিক দিয়ে, বাম দিক দিয়ে এবং ডান দিক দিয়ে তাদের কাছে আসবো। আর আপনি তাদের অধিকাংশকেই কৃতজ্ঞ বান্দারুপে পাবেন না। সুরা ৭ আরাফ ১৭
শয়তান আদম (আ)- এর ব্যাপারে আল্লাহর আদেশ অমান্য করল । তার আদেশের বিরোধীতা করল এবং অহংকার করল। তখন আল্লাহ শয়তানকে বলল: বেরিয়ে যাও এখান থেকে। তুমি পাপী, তুমি আমার আদেশ অমান্য করেছ।
তখন শয়তান শপথ করে বলল: অবশ্যই আমি আপনার বান্দাদের পথভ্রষ্ট করতে তাদের পথে বসে থাকবো, যতক্ষণ না আমি তাদের পথভ্রষ্ট করতে পারি।
১৭ নং আয়াতের আলোকে, শয়তান ৪টি দিক দিয়ে আঘাত করবে- ডান, বাম, সম্মুখ ও পেছন দিক দিয়ে।
এখানে একটি দিক বাদ রয়ে গেছে। তা হলো ' উপরের দিক'। কেন এই দিকটি বাদ? এর একটি তাৎপর্যও রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি হচ্ছে 'অহী আসার দিক', 'আল্লাহর বাণীর দিক', 'আল্লাহর দিক'। আল্লাহর বাণী ধারনকারীকে শয়তান কিছুই করতে পারে না।
শয়তান চতুর্দিক থেকে আক্রমণ করবে বলেছে আর একটি দিক দিয়ে সে পারবে না তা সে নিজেও জানতো। কারন, আল্লাহর ক্ষমতার কাছে তার ক্ষমতা কিছুই না। তাই আমরা যদি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তার বাণীর দিকে ফিরে যাই এবং তার পানে আশ্রয় চাই। তবে শয়তান কখনই আক্রমণ করতে পারবে না। আর আমরাও শয়তান থেকে এবং তার ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকতে পারব।
সুতরাং আমাদের উচিৎ আল্লাহর দরবারে দু'আ করতে থাকা। আসমান থেকে আসা কুরআন পাঠ করতে থাকা। আর সালাতের মাধ্যমেও চাইতে থাকা। কারণ, শয়তান এই দিক দিয়ে কোনো আক্রমণ করতে পারবে না।
Comments